1. azqlgjgesKt@gmail.com : Stabrovpealk :
  2. test47018929@email.imailfree.cc : test47018929 :
  3. multicare.net@gmail.com : সংবাদ শরীয়তপুর :
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বৃষ্টির জন্য ডামুড্যায় বিশেষ নামাজ আদায় শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উদ্বোধন হলো বিজয় মঞ্চ  ককটেলের আঘাতে যুবক হ*ত্যা*র অভিযোগ, বিচারের দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন কবি হাসনা হেনা’র কবিতা “হতে পারবো বীর” জীবনতরী মুক্ত স্কাউট গ্রুপের স্কাউট ওন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলে বলেই বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম: এনামুল হক শামীম শরীয়তপুরে আতাউর রহমান খান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে রিকশা ও ভ্যান বিতরণ কে এই ইঞ্জিনিয়ার ওয়াছেল কবির গুলফাম বকাউল সরকার গ্রামকে শহরে রূপান্তরের কাজ করছেন : এনামুল হক শামীম বিঝারী উপসী তারাপ্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় দরিদ্র  ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তিপ্রদান

ককটেলের আঘাতে যুবক হ*ত্যা*র অভিযোগ, বিচারের দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:শরীয়তপুরের জাজিরায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ককটেলের আঘাতে পেটের নাড়িভুঁড়ি বেড় হয়ে সজিব মুন্সী নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবারের লোকজন। সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মিয়া চাঁন মুন্সী কান্দি নিহত সজিবের নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  এসময় স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোন উপস্থিত ছিলেন। পরে মিয়া চাঁন মুন্সী কান্দি গ্রামের লোকজন বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিলে মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার করে সর্বচ্চ শাস্তির দাবি জানান তারা।এর আগে গত ২৭ মার্চ রাত ১০টার দিকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মহরখাঁর কান্দি এলাকায় জাজিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিলাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বেপারীর সমর্থক এবং সাবেক যুবলীগ নেতা আব্দুল জলিল মাদবর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তবে পরিবারের অভিযোগ- পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কুদ্দুস বেপারী ও তাঁর লোকজন ককটেল মেরে সজিব মুন্সীর পেটের নাড়িভুঁড়ি বেড় করে দেয়। স্থানীয়রা সজিব মুন্সীকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। পরে ২ এপ্রিল সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সজিবের মৃত্যু হয়। সজিব যুবলীগ নেতা আব্দুল জলিল মাদবরের লোক। ৫ এপ্রিল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস বেপারীসহ ৭০ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন নিহত সজিবের ভাই সুমন মুন্সী। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে সজিবের বড়ো ভাই সুমন বলেন, কুদ্দুস বেপারী তার সন্ত্রাস বাহিনী নিয়া তার বাড়িতে আমার ভাইকে মাইরা ফালানের জন্য মিটিং করছে তার পরদিন আমার বাড়িতে আইসা হুমকি ধামকি দিছে। আমার ভাই আবার ঢাকা থেকে রাত্র দুইটা বাজে আসছে ওরা তখন ৫ জন ছিল। ঢালী কান্দি মড়ে ওদের বেড় দিছে পরে ৪ জন পোলায় আসছে ওখান থেকে। আর একজন কে পাইছে ওই একজনকে পাইয়া তার হাত পা ভাইঙ্গা দিছে। তারপর ২৭ তারিখ রাতে বিলাসপুর আমাদের একটা ইফতার পার্টি ছিল। ওইটা শেষ করে মাগরিবের নামাজ পরে আমরা বাড়ি আসছিলাম তখন ভাঙা ব্রিজের কাছে কুদ্দুস বেপারীর ৭০/৮০ জন লোক রাস্তা ঘেরাও করে দারায় ছিল। পরে কুদ্দুস বেপারী হুকুম দিছে, বলছে সালার বেটাগো ধর। এরপরই ফারুক হালদার, ইমন বেপারি, নুরুল ইসলাম বেপারি সহ আরও যারা আছিল সকলেই বোম মারা শুরু করছে আমাদের দিকে। তখন আমরা সবাই একেক দিকে পালায় যাওয়ার সময় সাজিবের গায়ে ফারুক হালদার একটি বোম মারছে। আমার ভাই সাথে সাথে যায়গায় পইরা গেছে তারপর আশেপাশের লোক যখন ছুটে আসছে তখন আর তারা কাছে আসতে পারে নাই। কারন তারা অনেক বোম মারছে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছে। পরে তারা যখন বুঝতে পারছে সজিব মারা গেছে তখন তারা আস্তে আস্তে সরে পরছে। পরে আমারা তাকে জাজিরা হাসপাতালে নিয়ে যাই। জাজিরা হাসপাতাল থেকে তখন তারা ঢাকা রেফার করে। ঢাকা মেডিকেল এ নেয়ার পর ওইখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ তারিখে ভোর রাতে আমার ভাই মারা যায়। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো আসামি ধরতে পারে নাই। আমরা দুজন কে ধরে দিছি তা ছারা। তারা জাজিরা ও ঢাকার বিভিন্ন যায়গায় খোলা আকাশের নিচে ঘোরতাছে। আসামিরা এখনো দিবালোকে গোরতাছে হাজির হয় নাই। আমার সকলের কাছে একটাই দাবি একটাই অনুরোধ আমার ভাইয়ের খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।এ সময় নিহতের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী ২৬ তারিখে আসছে ওনারা নাকি ২৫ তারিখে কথা বলছে আমার স্বামীকে এমন করব। ২৬ তারিখে আমার স্বামী আসছে আমার থেকে বলেও আসছে তখন ওনারা নাকি বলে আমার স্বামীরে ধইরা মারতে চাইছে। তখন উনি কোন মতে জীবন নিয়ে বাইচা আইছে। তারপরের দিন এমন ভাবে ধরছে আমার স্বামীরে আমার স্বামীরে ধইরা একবারে মাইরা ফালাইছে। এখন আমার সন্তানের কি হইব? আমার কি হইবো? আপনাদের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই আমার স্বামীর খুনিদের বিচার চাই। ফাসি চাই। আমার এই মাসুম বাচ্চা ওর বাবারে ছাড়া কিছু বোঝেনা। হাসপাতালে যখন আছিল বাবা বাবা করে চিৎকার পারছিল এখন আমি ওর বাবারে আনবো কোত্থেকে।নিহতের মা বলেন, আমার বাবা কুদ্দুস বেপারীর লগে ১০ বছর ধইরা দল করছে। কুদ্দুস বেপারীর কুকর্মের কারণে আমার বাবা একটা বছর ধইরা ওর দল ছাইড়া দিছে। এই দল ছাড়ার কারণে একটা বছর ধইরা কিভাবে মারবো সেই চেষ্টাই চালায় গেছে। ২৫ তারিখে আইয়া ওরা আমাগোর বাড়িঘর পিটায় ভাইঙ্গা গেছে। আমার বাবায় ২৫ তারিখে আসছে পর ওরে ঘেরাও দিছে। ওগোর ৫ জনের মধ্যে একজন রে ধরতে পারছিল তারে হাত পা ভাইঙ্গা দিছে। কোনো মতে বাইচ্চা আইছে। এরপর আমার বাবা ইফতারে যাওয়ার পরে ইফতার কইরা আসার পথে আমার বাবারে ৭০-৮০ জনে মিল্লা বোম মাইরা মাইরা ফালাইছে। আমি এর বিচার চাই। এর কি বিচার হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

বৃহ শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট