1. azqlgjgesKt@gmail.com : Stabrovpealk :
  2. test47018929@email.imailfree.cc : test47018929 :
  3. multicare.net@gmail.com : সংবাদ শরীয়তপুর :
বুধবার, ১৫ মে ২০২৪, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বৃষ্টির জন্য ডামুড্যায় বিশেষ নামাজ আদায় শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উদ্বোধন হলো বিজয় মঞ্চ  ককটেলের আঘাতে যুবক হ*ত্যা*র অভিযোগ, বিচারের দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন কবি হাসনা হেনা’র কবিতা “হতে পারবো বীর” জীবনতরী মুক্ত স্কাউট গ্রুপের স্কাউট ওন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলে বলেই বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম: এনামুল হক শামীম শরীয়তপুরে আতাউর রহমান খান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে রিকশা ও ভ্যান বিতরণ কে এই ইঞ্জিনিয়ার ওয়াছেল কবির গুলফাম বকাউল সরকার গ্রামকে শহরে রূপান্তরের কাজ করছেন : এনামুল হক শামীম বিঝারী উপসী তারাপ্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় দরিদ্র  ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তিপ্রদান

বিশ্ববাসীর খুশির দিন ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ)

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

মানুষের জন্মদিনকে স্মরণ করা, শুভেচ্ছা জানানো বা সালাম দেয়া মহান আল্লাহ পাকের সুন্নাহ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক নবীদের জন্মদিন মৃত্যুদিন উল্লেখ করে সালাম জানিয়েছেন। মহানবী (সাঃ) সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি। তাঁর জন্মের কথা বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে বিশেষ করে তাওরাত-ইঞ্জিল এবং কোরআনে। রূহের জগতে আল্লাহপাক নিজে সরাসরি নবী করীম (সাঃ) এর আগমন নিয়ে সমস্ত নবীদের সাথে কথা বলেছেন। অর্থাৎ মিলাদুন্নবী (সাঃ) শুরু করেছেন স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। নবীজি’র সৃষ্টি এবং পৃথিবীতে তাঁর আগমন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ বিষয়টাকে স্মরণ করা ও অনুধাবন করাই মিলাদুন্নবী (সাঃ)।

মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালন করা, আর সাধারন জন্মদিন পালন এক নয়। বিষয়টি বুঝতে হলে, আল্লাহ এবং আল্লাহর প্রিয় হাবিব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে এবং থাকতে হবে মহব্বত ভালোবাসা। যে ভালোবাসা মেকি নয়, যে ভালোবাসা নিজের জীবনকে ভালোবাসার চেয়ে অধিক। যে ভালোবাসা ঈমানের দাবী। যে ভালোবাসা ছাড়া ইসলামকে বুঝা যায় না মানা যায় না। যে ভালোবাসা ছাড়া ইমান পরিপূর্ণ হয় না। যে ভালোবাসা ছাড়া কুরআন সুন্নাহ সঠিকভাবে মানা সম্ভব হয় না।

সাহাবাগণ (রাঃ) মিলাদুন্নবী পালন করতেন না কথাটা সঠিক নয়। সাহাবাদের হৃদয় ছিল নবীজির ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। যখন তাঁরা কোন কথা বলতেন বা প্রশ্ন করতেন, শুরুতেই বলতেন, ‘আমাদের পিতা মাতা আপনার জন্য কোরবান …… ইয়া রাসুলাল্লা’ । নবীজি (সাঃ) যখন প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইতেন, তখন সাহাবারা বলতেন, ‘আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল ভালো জানেন’ । সাহাবীদের জীবনের প্রতি মুহূর্তে ছিল মিলাদুন্নবীর শিক্ষা। আমাদের একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, তখনকার শিক্ষা কার্যক্রম ব্যবস্থায় মাদ্রাসা বা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছিলনা, শিক্ষা বিতরণ কিন্তু থেমে থাকেনি। তেমনিভাবে নবীপ্রেমের প্রকাশ ও বিকাশ অতীত ও বর্তমান একই ধরনের নয়। মূল বিষয় একই থাকলেও তার আঙ্গিক উপস্থাপনে রয়েছে নতুনত্ব। আর এই নতুনত্ব নিয়ে বিতর্ক করা মোটেই সমীচীন নয়। মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালন করা মানে আল্লাহ প্রদত্ত সবচেয়ে বড় নেয়ামতের শুকরিয়া জ্ঞাপন করা। প্রত্যেক নেয়ামতের শুকরিয়া প্রকাশ করা ওয়াজিব। নেয়ামত সম্পর্কে আলাপ আলোচনা করা শুকরিয়া প্রকাশের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ পাক এর অনুগ্রহের কথা জানিয়ে দেয়া আল্লাহর নির্দেশ।
নবী করীম (সাঃ) এর শান মান সম্পর্কিত হাদিস গুলো পড়লে বুঝতে পারা যায়, সাহাবীগণ মীলাদুন্নবী (সাঃ) পালন করতেন কিনা! নবী করিম (সাঃ) বলেছেন, আমি উত্তম গোত্রে, উত্তম বংশে উত্তম ঘরে জন্মগ্রহণ করেছি। সাহাবীগণ এ কথা শুনেছেন, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন। সাহাবীদের কাছ থেকে এ হাদীসের তথ্য ও আলোচনা তাবেঈনদের কাছে এসেছে। তাবেঈনগণ এই নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁদের কাছ থেকে তাবে-তাবেঈনগণ জেনেছেন। তারা আলোচনা করেছেন। এভাবে হাদীসগুলো পূণঃ পূণঃ পাঠের মাধ্যমে মুসলিম সমাজে বিস্তৃতি লাভ করেছে। হাদিসের ইমামগণ তা আলোচনা করেছেন এবং সংকলিত করেছেন। এভাবে আজ তা আমাদের কাছে এসেছে এবং আমরা তা আলোচনা করছি। এই যে বলা, এই যে আলোচনা এটাই মিলাদুন্নবী (সাঃ)। নবী করীম (সাঃ) নিজে তাঁর জন্মদিন পালন করেছেন। সোমবার জন্মগ্ৰহণ করেছেন বলে, প্রতি সোমবার তিনি রোজা রাখতেন।

নবী করীম (সাঃ) এর জন্মদিনকে স্মরণ করার বিষয়টা শুধু বার্ষিক কোন বিষয় নয়। এটা প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তের বিষয়। আজ অনেকেই আমরা বৎসরে একবার একটি দিন পালনে ব্যস্ত থাকি এবং একটি দিনে সীমাবদ্ধ থাকি। কিন্তু সাহাবীরা (রাঃ) প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে উনার জন্ম বা আগমনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন। তাই, একটা দিন পালনের মধ্য দিয়ে আমাদেরকে সারা বছরের জন্য তৈরি হতে হবে। সাহাবীগণ (রাঃ) প্রতি মুহূর্তেই উনার সান্নিধ্য লাভের আশা করতেন। নবীজি (সাঃ) কে যথাযথভাবে সম্মান করা এবং উনার বিশ্রামের সময় বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য আল্লাহ্ পাক স্বয়ং আয়াত নাযিল করেছেন।
সাহাবীদের সাথে আমাদের হুবহু তুলনা করা সঠিক হবে না। আমাদের নিজেদের ঈমানের পরিপূর্ণতার জন্য নিজের পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি থেকে বেশি ভালবাসতে হবে নবীজি (সাঃ) কে। নবীজি (সাঃ) এর সাথে আমাদের রক্তের সম্পর্ক নেই। আমার রক্তসম্পর্কের পিতা-মাতা ও সন্তান-সন্ততি থেকে যদি নবী করিম (সাঃ) কে বেশি ভালবাসতে হয়, তাহলে আমাদেরকে নবীজি (সাঃ) কে ভালোভাবে চিনতে ও জানতে হবে এবং আমাদের হৃদয়ে উনার ভালোবাসাকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রয়োজনে আমাদের হৃদয়ের চিকিৎসা করতে হবে। এই চিকিৎসা ছাড়া মৌলুদ বা মিলাদ্দুন্নবী (সাঃ) এর গুরুত্ব সঠিকভাবে বোঝা দুষ্কর। আর এই চিকিৎসা হলো নিজেদের অন্তরসমূহকে এমনভাবে তৈরি করা, যেখানে আল্লাহ এবং রসুলের অস্তিত্ব সবসময় বিরাজমান থাকবে অর্থাৎ প্রতিটি কাজকর্মে আপনি আমি আল্লাহকে স্মরণ করব এবং নবীজি সাঃ এর দেখিয়ে যাওয়া পথ অনুযায়ী করব এবং হৃদয়ে নবীজী (সাঃ) এর প্রতি ভালোবাসা সব সময় অনুভব করবেন। সাহাবীগণ (রাঃ) নবীজি (সাঃ) এর ঘনিষ্ঠ সহচর্য পেয়েছেন, কিন্তু আমরা তা পাইনি। আমরা না দেখে উনার প্রতি ঈমান এনেছি। আমাদের হৃদয় নবীজি (সাঃ) এর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ করতে হলে নবী (সাঃ) এর আগমনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনুধাবন, মৌলিদ ও মিলাদুন্নবী পালন করা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি সাঃ এর মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠানে নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করা হয় এবং সালাম পেশ করা হয়। না’ত পেশ করা হয়, কাছিদা পেশ করা হয়। এর অনুশীলন করার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার মাধ্যমে আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। তার অর্থ, দুরুদ ও সালাম পেশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নবীজি (সাঃ) হলেন, সমগ্র সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত স্বরূপ। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন, রাহমানুর রাহিম এবং মহানবী (সাঃ) হলেন, হাবিবে খোদা ও রহমাতুল্লিল আলামীন। এমন মহানবী (সঃ)র উম্মত হিসেবে আমরা ধন্য — আমরা খুশি। তাই নবিজী (সঃ)র আগমন উপলক্ষে আমরা খুশি উদযাপন করি। আসুন প্রাণ খুলে গাই —
ইয়া নবী সালামু আলাইকা — আল্লাহর নবী তুমি; তোমাকে সালাম। লেখক, মোঃ শোয়েব

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

বৃহ শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট