1. azqlgjgesKt@gmail.com : Stabrovpealk :
  2. test47018929@email.imailfree.cc : test47018929 :
  3. multicare.net@gmail.com : সংবাদ শরীয়তপুর :
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বৃষ্টির জন্য ডামুড্যায় বিশেষ নামাজ আদায় শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উদ্বোধন হলো বিজয় মঞ্চ  ককটেলের আঘাতে যুবক হ*ত্যা*র অভিযোগ, বিচারের দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন কবি হাসনা হেনা’র কবিতা “হতে পারবো বীর” জীবনতরী মুক্ত স্কাউট গ্রুপের স্কাউট ওন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিলে বলেই বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম: এনামুল হক শামীম শরীয়তপুরে আতাউর রহমান খান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে রিকশা ও ভ্যান বিতরণ কে এই ইঞ্জিনিয়ার ওয়াছেল কবির গুলফাম বকাউল সরকার গ্রামকে শহরে রূপান্তরের কাজ করছেন : এনামুল হক শামীম বিঝারী উপসী তারাপ্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় দরিদ্র  ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তিপ্রদান

শরীরে এখনো ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেডের স্প্লিন্টার বয়ে বেড়াচ্ছি’, আহত অবস্থায় হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা পাইনি -উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম ও সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু 

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ শরীয়তপুর ডেস্ক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক  পানিসম্পদ উপমন্ত্রী সংসদ সদস্য শরীয়তপুর-২  এনামুল হক শামীম ২১ আগস্ট ২০০৪ এর পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলায় তার শরীরে ২২ টি স্প্লিন্টার ও  ১০টি স্প্লিন্টার এখনো শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। স্প্লিন্টারের যন্ত্রণায় এখনো মাঝেমধ্যে কাতরাতে হয় এবং আমাবস্যা সময় গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের  এর ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে বলে সংবাদ শরীয়তপুর.কম একান্ত আলাপনে জানান, শরীয়তপুরের এই দুই সংসদ সদস্য। 
উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছিলেন তিনি। সেদিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, গ্রেনেড হামলার দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম ভাই, ইসহাক আলী খান পান্নাসহ আমাদের ছাত্রলীগের অনেক নেতা কর্মী।
তিনি বলেন, আল্লাহতালার কাছে হাজার শুকরিয়া যে এখনো বেঁচে আছি। নেত্রীর (শেখ হাসিনার) বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ করে গ্রেনেড হামলা শুরু হয়। ধোঁয়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন চারদিক আর মুর্হুমুর্হু গ্রেনেড ও গুলির শব্দে সবাই প্রাণ বাঁচাতে ছুটতে থাকে। আমরা ছাত্রলীগের নেতা যারা সেদিন সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে  ছিলাম, তারা নেত্রীর গাড়ি ঘিরে ছিলাম। আমাদের একটাই ভাবনা ছিল, শেখ হাসিনা নিরাপদ আছেন কিনা। তখন আমরা শেখ হাসিনার ট্রাকের দিকে ছুটে যাই। তখন আমাদের আওয়ামী লীগের প্রয়াত মেয়র  হানিফভাই, মায়াভাই ও অন্যান্য নেতাদের নিয়ে মানব ডাল তৈরি করেছিলেন। এই সময় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার ব্যাক্তিগত দেহরক্ষী নিহত হয়েছিলেন। শেখ হাসিনা যখন গাড়ীতে উঠে চলে যাচ্ছিলেন, তখনো তাকে হত্যার জন্য গুলি করা হয়ে ছিল।
তিনি আরও বলেন, যখন দেখলাম শেখ হাসিনা নিরাপদে ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন। তখন নিজের হুশ হলো। তখন খেয়াল করে দেখলাম। আমার পা থেকে তীরের মত রক্ত বার হচ্ছে। আমার কোমর গ্রেনেডের স্প্লিন্টারে ঝাঝঁরা হয়ে গেছে। তখন একজন সাংবাদিক আমার জামা খুলে আমার পায়ে বেধে দেন। পরে আমাকে চিকিৎসার জন্য কাটাবেনর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানকার ডাক্টাররা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চলে যান। চিকিৎসার জন্য তাদেরকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল,
গ্রেনেড হামলায় আহতদের যেন চিকিৎসা না দেয়া হয়। এমনকি পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালগুলো এসেছিলেন আমরা যেন চিকিৎসা না পাই। পরে গোপনে চিকিৎসা নিয়ে, ভারতের অ্যাপোলো হাসপাতালে চলে যাই চিকিৎসার জন্য। আমার সাথে বেশ কয়েকজন আওয়ামীলীগের নেতারা সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। এখনো তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে দেহে ২২ টি স্প্লিন্টার বয়ে বেড়াচ্ছি।সেইদিনের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে, গ্রেনেড হামলায় আহত, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু বলেন, সেইদিনের  মুহুর্মুহু গ্রেনেডের হামলা, নেতাকর্মীদের চিৎকার, আর্তনাদ, ছোটাছুটি সব মিলিয়ে একটি ভয়াল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। সেদিনের স্মৃতি মনে হলে এখনো ভয়ে আতঙ্কে উঠি।তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে আমরা কয়েকজন নেত্রীর গাড়ির কাছ থেকে সরছিলাম না। আমাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য গ্রেনেড ছোড়া করা হয়, গুলি করা হয়। গ্রেনেডের  স্প্লিন্টার গায়ে লাগলে ছিটকে পড়ি। পাশে থাকা বন্ধু সেন্টু মারাত্মক আহত হয়ে মারা যান। এসব দেখে আমি অচেতন হয়ে যাই। আমাকে ছাত্রলীগের কয়েক নেতা উদ্ধার করেন। তারা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল না।’
স্বজনরা বাসায় নিয়ে পরিচিত চিকিৎসক এনে চিকিৎসা করান। বিভীষিকাময় অবস্থার মধ্যে বেঁচে ফিরেছি। আমার ছোট ভাই কাওসার হোসেন শিপু রক্তাক্ত আইভি আপাকে জাপটে রাখে। শত চেষ্টা করেও আমরা তাকে বাঁচাতে পারিনি। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম ভাই, ওবায়দুল কাদেরসহ আমাদের ছাত্রলীগের অনেক নেতা সেদিনের গ্রেনেডের স্প্লিন্টার শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছেন। এখনো আমার শরীরে গ্রেনেডের ১০ টি স্প্লিন্টার রয়েছে। এই গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য কি ছিল এবং কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে জানতে চাইলে, এই দুই সংসদ সদস্য এনামুল হক শামীম ও ইকবাল হোসেন অপু বলেন, গ্রেনেড হামলাকারীদের একটাই উদ্দেশ্য ছিল। আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্যে দিয়ে আওয়ামীলীগকে নেতৃত্বশূন্য করা। আর মাস্টার মাইন্ড তারেক রহমান উল্লেখ করে তারা বলেন, ২১ শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন তারেক রহমান। শেখ হাসিনাকে হত্যা ও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলার পরিকল্পনায় তৎকালীন সরকারের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এই ন্যাক্কারজনক হামলা ঘটান। কারণ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই ধরনের ঘটনা ঘটানো অসম্ভব। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ড তারেক রহমান দেশ থেকে পালিয়ে গেলেন। এ দেশের আইন কিছুই করতে পারলো না। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ অপেক্ষায় আছে তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখার জন্য,’ বলেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

বৃহ শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট